শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন

ডাকাত দলের কবলে পড়ে কেরানীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবগ লীগ নেতা গুরুতর আহত।
পি,কে বর্মণ:
গত ২৪শে নভেম্বর রাত আটটার দিকে জিঞ্জিরা ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সম্পাদক আতাউর রহমান ঝন্টু (২৫) স্ত্রী জেরিন রহমান (২০) এবং মান্দাইল গ্রামের কোয়েল ও তার সাথি দুটি বাইক নিয়ে রামেরকান্দা কফি টেন নামে কফি হাউজে যাওয়ার পথে রামেরকান্দা সংলগ্ন অগ্রখোলা নামক স্থানে ফাঁকা রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে অবস্থা দেখে বাইক থামাতেই আগে থেকে উৎপেতে থাকা মুখে গামছা ও রুমাল বাঁধা হাতে দেশীয় অস্ত্র রাম দা, চাপাতি, টেটা, বল্লম সহ লাঠিসোটা দিয়ে ১৫- ১৬ জনের একটি ডাকাত দল হটাৎ আক্রমণ করে।
কোয়েল ও তার সাথী অবস্থা বেগতিক দেখে লোকজন জড়ো করার উদ্দেশ্যে বাইক ফেলে দৌড়াতে থাকে।
ডাকাত দল ঝন্টু’কে টেনে রাস্তার কিনারে এনে লাঠিসোটা দিয়েএলোপাথাড়ি পেটাতে থাকে।
ঝন্টুর স্ত্রী প্রাণ বাঁচানোর জন্য আকুতি মিনতি করে।
ডাকাতরা জেরিনের পরিহিত সকল স্বর্ণালঙ্কার মোবাইল ঝন্টুর গলার স্বর্ণের চেন মোবাইল ও সঙ্গে থাকা ৮ হাজার টাকা জোর করে ছিনিয়ে নেয়।
এক পর্যায়ে ডাকাতের দল জেরিনকে ঝন্টুর কাছ থেকে আলাদা করার চেষ্টা করলে ঝন্টু তার বাইকের চাবি তাদের দিয়ে আকুতি করে তাদেরকে ছেড়ে দিতে বলে, ডাকাতদের একজন অন্যদের আদেশ দেয় ঝন্টুকে রাস্তার নিচের দিকে জমিতে নিয়ে জবাই করার, তখন সে লক্ষ্য করে আবছা অন্ধকারে প্রায় জনা দশেক লোককে হাত – পা বেঁধে জমিতে ফেলে রেখেছে।
শুরু হয় ঝন্টুর সাথে ডাকাতদের ধস্তাধস্তি
তাকে মেরে ফেলতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে, সে গুরুতর আহত অবস্থায় স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে রাখলে ডাকাতরা ঝন্টুর হাতে কামড় বসিয়ে দেয়।
সে সময় কোয়েল ও তার সাথিকে পুলিশ নিয়ে আসতে দেখে ডাকাতের দল দৌড়ে পালিয়ে যায়।
ঝন্টু মান্দাইল গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদের ছেলে। বর্তমানে সে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান এই জায়গাটি নির্জন ও বসতি কম থাকায় প্রায়ই এরকম ঘটনা ঘটে চলেছে।
কোয়েলর ভাষ্যমতে সে কিছুদূর দৌড়ে যাওয়ার পর একটি
সাদা মাইক্রোবাসে পুলিশ দেখতে পেয়ে সাথে নিয়ে আসে।
পুলিশ ঐ দশজন সহ সবাইকে উদ্ধার করে।
ঝন্টু ও তার স্ত্রী বলেন সময়মতো পুলিশ আমাদের উদ্বার না করলে আমাদের জীবন সংশয় ছিল, এই ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।